উপন্যাস : পাতালকুহেলিলেখক : অভিষেক চট্টোপাধ্যায়প্রকাশনা : বেঙ্গল ট্রয়কা পাবলিকেশনদাম : ৪৫০ টাকা Avishek Chattopadhyay স্যার, কি লিখেছেন। দিনের বেলা পড়ার সময় পাচ্ছিনা, রাতের বেলায় পড়তে ভয় লাগছে। আবার না পড়েও থাকতে পারছিনা। খুব বাজে অবস্থা। একটু করে পড়ছি আর এদিক ওদিক তাকাচ্ছি। ভয় করছে। তাও ছাড়তে পারছিনা। পাশের মানুষটাকেও সন্দেহের চোখে দেখছি। পাতালকুহেলিতে একদিকে যেমন ভৌতিক ব্যাপার রয়েছে আরেকদিকে রয়েছে দারুণ রহস্য। ১৩ নম্বর ফ্লোর পড়েই আপনার লেখার ভক্ত হয়ে গিয়েছিলাম। তারপর একে একে আপনার লেখা সমস্ত ভৌতিক গল্প, উপন্যাস এবং আপনার লেখা রহস্য উপন্যাস ম্যাও পড়ে ফেললাম। তারপর থেকেই অপেক্ষায় থাকতাম আপনার লেখা কবে বেরোবে।এইবছর বইমেলা থেকে কেনা পাতালকুহেলি পড়ে আরও একবার আপনার লেখার ভক্ত হয়ে গেলাম। পাতালকুহেলিতে একদিকে যেমন ভৌতিক ব্যাপার রয়েছে আরেকদিকে রয়েছে দারুণ রহস্য। দুইয়ের মিশ্রণে দুর্দান্ত একটি উপন্যাস শেষ করলাম। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পাঠকদের এত সুন্দর একটি লেখা উপহার দেওয়ার জন্য
বই- নিহত হওয়ার আগে ও পরেলেখিকা- পিয়া সরকারপ্রকাশক- বেঙ্গল ট্রয়কা পাবলিকেশনমূদ্রিত মূল্য- ২০০/- একটা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সংলগ্ন পচা ডোবা থেকে উদ্ধার হল একটা কঙ্কাল…সেই সাথে উঠে এলো অনেক ধামাচাপা পড়া সত্য, খোলা হল একটা ১২ বছরের পুরোনো কেস ফাইল। শুধু তাই নয়, বিবেক মন্থন করে উঠে এলো স্মৃতির অতলে হারিয়ে যাওয়া পাপ পুণ্যের অসম্পূর্ণ হিসেব। আপাতদৃষ্টিতে ক্রাইম থ্রিলার মনে হলেও আমার এই বইটাকে জটিল মনস্তাত্ত্বিক গল্প বলেই মনে হয়েছে। একটা হত্যাকাণ্ড ও চারজন বন্ধুর পুনর্মিলন উৎসব, আর তার মাঝেই চলছে সত্যি মিথ্যের লড়াই, অতীত ও বর্তমানের সংঘাত। ঘটনাবহুল কাহিনী নয়, চরিত্রের প্রাচুর্যও নেই… কিন্তু স্বল্প পরিসরেই লেখিকা বিবেকের ভূমিকা স্পষ্টভাবে চিত্রায়িত করেছেন। গল্পের শেষে উনি একটা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন পাঠকের কাছে, কোন অপরাধটা গুরুতর? কাউকে চিরতরে শেষ করে দেওয়া? নাকি কারোর দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে দিনের পর দিন মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে কাউকে জীবিত থাকতেই মেরে ফেলা? নাকি এসব কিছু দেখে শুনেও প্রতিবাদ না করে উল্টে উস্কানি দিয়ে পৈশাচিক উল্লাসে মেতে ওঠা? অথবা নিজের একটা অপরাধ লুকাতে আর একটা জঘন্য অপরাধ করা? আপাতদৃষ্টিতে ক্রাইম থ্রিলার মনে হলেও আমার এই বইটাকে জটিল মনস্তাত্ত্বিক গল্প বলেই মনে হয়েছে। সবথেকে ভালো লাগলো যে অহেতুক তথ্য আর সংলাপ দিয়ে লেখাটাকে টেনে হিঁচড়ে বড় করেননি লেখিকা। ওয়ান টাইম রীড হিসেবে বেশ ভালো বই।
📕 নিহত হওয়ার আগে ও পরে✍️পিয়া সরকার🖨️বেঙ্গল ট্রয়কা পাবলিকেশন🏷️ INR 200/- অনেকদিন ধরেই চাইছিলাম একটু অন্য স্বাদের থ্রিলার পড়বো, মানে কে খুনি? কেন খুন? কে ধরবে? কিভাবে ধরবে? ইসব গতানুগতিক প্রশ্নের ঊর্ধ্বে উঠে এমন একটা গল্প, যেখানে গল্প শেষ পাতায় পাঠকের দিকে ফিরে তাকিয়ে ঠান্ডা স্মিত এক হাসি হাসে। এবারের বইমেলা থেকে কেনা এই বইটি ঠিক সেই অভিজ্ঞতাই দিয়েছে, নিঃসন্দেহে এটি আমার স্মৃতিতে দীর্ঘদিন গেঁথে থাকবে।আমার কাছে থ্রিলার তখনই উপভোগ্য হয় যখন গল্পে থাকে নিরবচ্ছিন্ন সাসপেন্স। যেখানে পাঠক অনুমান করতে পারে, বিশ্লেষণ করারসুযোগ পায়, কিন্তু গল্পের গতি মোটেও ধীর হয় যায় না। লেখিকাকে কুর্নিশ, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই উত্তেজনা ধরে রাখার জন্য। প্রথমেই বলতে হয়, সীমিত পরিসরেও লেখিকা প্রতিটি চরিত্রকে সযত্নে নির্মাণ করেছেন। কখনো মনে হয় না যে চরিত্রগুলো শুধুমাত্র কাহিনীকে এগিয়ে নেওয়ার যন্ত্র, বরং প্রতিটি চরিত্রই জীবন্ত ও বিশ্বাসযোগ্য।প্লট অসাধারণ। রহস্যের সমাধানের পরেও একটি চমকপ্রদ পরিণতি অপেক্ষা করে, যা সত্যিই মর্মস্পর্শী। কখনো মনে হয় না যে চরিত্রগুলো শুধুমাত্র কাহিনীকে এগিয়ে নেওয়ার যন্ত্র, বরং প্রতিটি চরিত্রই জীবন্ত ও বিশ্বাসযোগ্য। তবে আমার মনে কিছু প্রশ্ন থেকে গেল, যেগুলোর আরও সুস্পষ্ট হলে হয়তো আরো ভালো লাগতো,~শিবাশিস নিরুদ্দেশ হওয়ার পর পুলিশ যথেষ্ট খোঁজাখুঁজি করেছিল, তাহলে হোস্টেলের ঠিক পাশের জঙ্গলটি তারা কেন খুঁটিয়ে তল্লাশি করল না বা চেষ্টা করা হলো না।~জঙ্গলের যেখানে মৃতদেহ ফেলে উপরে শুকনো ডালপালা দিলে সেই জায়গাটি আশেপাশের পরিবেশ থেকে আলাদা দেখায়। অভিজ্ঞ পুলিশ অফিসাররা ‘Disturbed Soil’ বা এলোমেলো মাটি দেখলেই সন্দেহ করতে পারতেন বলে মনে হয়।~দেহ টেনে নিয়ে যাওয়ার সময় মাটিতে দাগ (Drag Marks) থেকে যায়। জঙ্গলের নরম মাটিতে পায়ের ছাপ পড়াও স্বাভাবিক। বিশেষত শিবাশিস সুঠাম দেহের অধিকারী ছিল, তাই ধস্তাধস্তির চিহ্ন থাকার সম্ভাবনা প্রবল।যাই হোক, এই উপন্যাসটি সত্যিই অসাধারণ, এটি শুধু থ্রিলার নয়, আবার নিছক সামাজিক উপন্যাসও নয়। এই গল্প শেষ হয় মানবিকতার অন্ধকার অলিগলিতে।
বই-নিষিদ্ধ নগরীর ঈশ্বরলেখক-অভিষেক মিত্রবেঙ্গল ট্রয়কা পাবলিকেশনমুদ্রিত মূল্য-২৪৯ টাকা লেখক তার এই বইতে চীন দেশের ৫০ জন দেবদেবীর কথা তুলে ধরেছেন। তাদের নিয়ে প্রচলিত উপকথা ও বেশ সুন্দর তথ্য তিনি তার লেখনীতে ফুটিয়ে তুলেছেন। এছাড়া এই বইতে কিছু চৈনিক বৌদ্ধ ধর্মের চরিত্র ও অন্যান্য গোষ্ঠীর উপকথা ও রয়েছে। যারা বিভিন্ন দেব-দেবী সংক্রান্ত বই পড়তে পছন্দ করেন তারাই বইটি অবশ্যই পড়ে দেখতে পারেন। লেখকের কাছ থেকে আরও এরকম লেখনী পাওয়ার আশায় রইলাম।
❀ রৌরব / রজত শুভ্র কর্মকার❀ বেঙ্গল ট্রয়কা পাবলিকেশন / ১৯০ টাকা❀ প্রচ্ছদ: কৃষ্ণেন্দু মন্ডল❀ অলংকরণ: লেখক স্বয়ং 🙏‘রৌরব‘ — বিষ্ণুপুরাণ, ভাগবত বা দেবী ভাগবতের ভাষ্য অনুযায়ী, এই নরক সেই সব মানুষদের জন্য বরাদ্দ, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলে, ঈর্ষাবশত অন্যের সর্বনাশ ঘটায় কিংবা স্বার্থপরতায় নিমজ্জিত হয়ে নৈতিকতাকে উপেক্ষা করে। এই গল্পসংকলন ঠিক এই ভাবনা থেকেই উদ্ভূত।তবে এটি কেবল পুরাণ-ভিত্তিক কল্পনা নয়—বরং পুরাণ ও আধুনিক মনস্তত্ত্বের এক অনবদ্য সংমিশ্রণ। ‘রৌরব’-এর প্রতিটি গল্প আমাদের সেই অদৃশ্য, কিন্তু প্রবল আত্মিক নরকের দিকে ঠেলে দেয়—যেখানে দগ্ধ হয় বিবেক, জ্বলে ওঠে প্রতিহিংসা, আর প্রশ্ন ওঠে—মানুষের মনের অন্ধকার তাকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে? বইটিতে মোট ১০টি গল্প রয়েছে:১. একটি চুক্তি, মাকড়সা এবং একটি অভিশপ্ত গিটার২. কালদণ্ড৩. মুংরি৪. খোঁজ৫. খোলস৬. শিরা৭. সময়৮. জাল৯. ধোঁয়া১০. নিরুপমা ‘পাপ ও প্রতিফল’ অদৃশ্য সুতোর মতো এই গল্পগুলোকে জড়িয়ে রেখেছে। গল্পগুলোতে রয়েছে ষড়রিপুর চলন, বিশেষত ক্রোধ, লোভ, এবং ঈর্ষা—যা চরিত্রগুলির সিদ্ধান্ত ও পরিণতিকে চালিত করে। প্রতিশোধ এবং বিচারবোধ গল্পগুলোকে চালকের আসনে রাখে, কিন্তু সেটা একেবারেই মুখরোচক রূপে নয়—বরং ধীরে ধীরে, ভয়াবহ এক নৈতিক চিত্রনাট্যের মধ্যে।লেখকের ভাষা স্বচ্ছ, সংবেদনশীল এবং বর্ণনামূলক। চরিত্রচিত্রণে রয়েছে বাস্তবতার ছোঁয়া, আবার কোথাও কোথাও বিমূর্ততার ধোঁয়াশাও। গল্পের শেষে অনেক সময়ই এমন এক মোচড় আসে, যা পাঠককে ‘বেশ হয়েছে’ বলার স্বস্তি ও আনন্দ দেয়। পাঠ শেষে এক ধরনের ভার ও ভাবনার রেখা রেখে যায় প্রতিটি গল্প। বইটির কিছু গল্প আরও বিস্তৃত হতে পারত, চরিত্রদের অতীত বা তাদের মনের গহীনে প্রবেশ করার সুযোগও ছিল। যাই হোক, যদি একটু অন্যরকম, ধারালো, ভাবনার খোরাক জোগানো গল্প পড়তে চান—যেখানে পুরাণ, মানসিক অন্ধকার আর ন্যায়বিচারের চূড়ান্ত পরিণতি একসঙ্গে জট বাঁধে—তাহলে ‘রৌরব’ আপনার জন্য। এটা নিছক গল্প নয়, একরকম অভিজ্ঞতা। ভয় পেতে নয়, তার মুখোমুখি হতে চাইলে অবশ্যই পড়ুন।
বইয়ের নাম – নিঝুমগড়ের আতঙ্কলেখক – সতীর্থ দেপ্রকাশক – বেঙ্গল ট্রয়কা পাবলিকেশনমূল্য – ২৭৫ টাকা ঝাড়খণ্ড লাগোয়া নিঝুমগড়ের জঙ্গলে নাকি এক হিংস্র অপদেবতার বাস। যে বা যারা এই রহস্যময় জঙ্গলে গিয়েছে, তারা কেউই আর বেঁচে ফিরতে পারেনি। স্থানীয় অধিবাসী বা গুণ্ডা বদমাশরাও সভয়ে এড়িয়ে চলে এই অরণ্যকে।এই অরণ্যের রহস্যভেদ করতে নিঝুমগড়ে এসে পৌঁছয় তরুণ সাংবাদিক ত্রিধা ও তার সঙ্গী প্রলয়। কিন্তু এই রহস্যের সমাধান করতে কি সক্ষম হবে তারা নাকি নিজেরাও হয়ে উঠবে অপদেবতার শিকার? ত্রিধা আর প্রলয়কে বাঁচাতে কি সক্ষম হবেন লালবাজারের উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসার প্রসূনবাবু? এই নিঝুমগড়ের আতঙ্ক কি শুধুমাত্র সেই অপদেবতার নাকি সেইসঙ্গে আরও কিছু মানুষ যারা কিনা হিংস্র পশুর থেকেও ভয়ংকর? আর এই ভয়ঙ্কর মায়াবী অপদেবতার প্রকৃত স্বরূপই বা কি? এ কি কোনও হিংস্র আত্মা নাকি ভিনগ্রহ থেকে আগত এক এলিয়েন?সতীর্থ দে মহাশয়ের লেখার সঙ্গে এই বইটির মাধ্যমেই আমার পরিচয় ঘটল। আলোচ্য কাহিনীতে আতঙ্কের সাথে সাথে কল্পবিজ্ঞানের এক চমৎকার মিশেল ঘটিয়েছেন ভদ্রলোক। এছাড়া ভাষার উপর ওনার দখলও চোখে পড়ার মত যারফলে একভাবে টানা অনেকক্ষণ ধরে কাহিনীটি পড়ে যেতে কোনও অসুবিধাই হয়নি। আতঙ্কের চমৎকার আবহসৃষ্টির সাথে সাথে কল্পবিজ্ঞানের চমৎকার মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন লেখক আলোচ্য কাহিনীটির ক্ষেত্রে। কাহিনীর মধ্যে আমার যেসব দিক ভালো লেগেছে তা হল –১. ভয়াল দৃশ্যের অবতারণা করার ক্ষেত্রে লেখকের দক্ষতা পরিলক্ষিত হয়েছে।২. ভাষা এবং বাক্যের প্রয়োগের উপর ওনার দক্ষতা কাহিনীটিকে সুপাঠ্য করে তুলেছে।৩. আতঙ্কের চমৎকার আবহসৃষ্টির সাথে সাথে কল্পবিজ্ঞানের চমৎকার মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন লেখক আলোচ্য কাহিনীটির ক্ষেত্রে।৪. গল্প বলার একটি সহজাত দক্ষতা লক্ষ্য করলাম লেখকের মধ্যে যা কাহিনির উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে। এবার আসি আমার চোখে ধরা পড়া কাহিনীর সামান্য কিছু খামতির মধ্যে যেগুলি একটু শুধরে নিলেই কাহিনীর মান আরও অনেক অনেক গুণ বৃদ্ধি পাবে বলেই আমার বিশ্বাস।১. অন্তিম ভাগে চরম উৎকর্ষতার মুহূর্তে পাঠক যখন এক চরম মুহূর্তে উপনীত হয়েছে ঠিক সেই সময়ে যেন একটু তাড়াহুড়ো করেই কাহিনীর উপসংহার টানা হল। এর থেকে আরেকটু ভালো উপসংহার আশা করেছিলাম আমি। পরেরবার থেকে আশা করব লেখক যেন অন্তিম মুহূর্তে আরও কিছু অভিনবত্ব আমাদের উপহার দেন।২. ত্রিধার চরিত্রটির জটিলতার আরও কিছু পরত দেখালে চরিত্রটি একটু বেশি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠত বলে মনে হয়েছে আমার। ওর সাথে ঘটে চলা বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওর মনের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব বা জটিলতা আরও কিছুটা প্রকাশ করবার প্রয়োজন ছিল।৩. পূর্বার চরিত্রটির প্রতি এই কাহিনীতে সেভাবে আলোকপাত করা হয়নি যেখানে উনি এই কাহিনীর অন্যতম এক প্রধান চরিত্র।৪. নিঝুমগড়ের রহস্যের সূচনা, পবনের ডায়রি এবং পাগল মানুষটির সম্পর্কে আলোচ্য কাহিনীতে সেভাবে আলোকপাত করা হয়নি। ফলে এখানে রহস্যের ঘনঘটায় বেশ কিছুটা ফাঁকফোকর রয়ে গেছে। তবুও সবমিলিয়ে আলোচ্য কাহিনীটি আমার মোটের উপর ভালোই লেগেছে। গতানুগতিক হরর ঘরানার চেনা ছকের বাইরে গিয়ে একটু অন্যপথে হাঁটতে চেয়েছেন লেখক যা অবশ্যই সাধুবাদযোগ্য। ওনার পরের কাহিনীর উপর নজর অবশ্যই থাকবে। পরিশেষে একটা কথাই শুধু বলব যে ১৬৮ পৃষ্ঠার পেপারব্যাক এই বইটির মূল্য একটু বেশিই মনে হয়েছে আমার কাছে যেখানে হার্ডবোর্ড বাঁধাই অন্যান্য অনেক বইয়ের মূল্য এর থেকে কম এবং যেখানে কাগজের মানের কোনও প্রভেদ নেই বা পৃষ্ঠার সংখ্যাও প্রায় এক।